Sunday, 16 October 2016

যে কারণে বন্দুকযুদ্ধ মঙ্গলজনক



সিনেমার সৎ সাহসী বীরটাইপের পুলিশ আর আমাদের দেশের বাস্তব পুলিশ প্রায় সেইম জিনিশপার্থক্য হইলো এইটুকুই, সিনেমার পুলিশদের দিয়ে কাহিনিকার নিজের ইচ্ছে মতন হিরোগিরি করানআর বাস্তবের পুলিশরা জাতির প্রতি পবিত্র দায়িত্ব রক্ষার্থে হিরোগিরি করেনসিনেমার  একেকজন সৎ সাহসী এসিপি বা ইন্সপেক্টর কাহিনিকারদের দয়ায় ডজন ডজন গুণ্ডা ভিলেনকে একাই কুপোকাত করে ফেলতে পারেনবাস্তবের পুলিশরাও রাতবিরাতে জঙ্গীদলের সাথে, সন্ত্রাসবাদী গ্যাংয়ের সাথে বন্দুকযুদ্ধে অবর্তীর্ণ হনবাস্তবে ফিল্মি স্টাইলের বন্দুকযুদ্ধে এসিপিরা বা ইন্সপেক্টররা সাধারণত য্দ্ধু ময়দানে নামেন নাযদিওবা ইন্সপেক্টর যুদ্ধে নামেন, সিনেমার হিরো ইন্সপেক্টরের মতন একা নামেন নাবন্দুকযুদ্ধে হয়ত ডজন ডজন সন্ত্রাসী নামেপুলিশও তাই নামে প্লাটুন প্লাটুন
তো সিনেমার আর বাস্তবে সাদৃশ্য দেখতে পাবেন এইখানে, সিনেমার নিরস্ত্র পুলিশ অফিসার একাই হালি হালি গুণ্ডাকে ফেলে দেয়দেশে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠিত করেসত্য প্রতিষ্ঠা করেসমাজে রাষ্ট্রে আইনের শাসন কায়েম করেআর বাস্তব বন্দুকযুদ্ধে আধুনিক অস্ত্রে সুসজ্জিত সন্ত্রাসীরাই শুধু ধড়াম ধড়াম গুলি খেয়ে পড়ে যায়বীর বন্দুকযোদ্ধা ইন্সপেক্টররা, সাব-ইন্সপেক্টররা বা তাঁদের বন্দুকযুদ্ধ বাহিনীর কমান্ডোদের গায়ে কখনোই গুলি ফুটে না
এভাবে জাতির সাহসী সন্তান বন্দুকযোদ্ধারা ১৯৭১-এ ৩০ লাখ মানুষের রক্তে অর্জিত, ২ লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন সার্বভৌম, অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক, বিশ্ব-শান্তির প্রতীক সোনার বাংলার মানবাধিকারের সুরক্ষা দিয়ে চলেছেনগণতন্ত্রের সুরক্ষা দিয়ে চলেছেনআইনের শাসন যথাযথভাবে অক্ষুন্ন রেখে চলেছেনআইনের প্রতি সর্বাত্মক শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করে চলেছেনফ্রেমে বাঁধাই করে রাখার মতন কাজ করে চলেছেন তাঁরা সমাজের জন্য, রাষ্ট্রের জন্য

জয় পুলিশ বাহিনী, জয় বাংলা­­­­­­