Tuesday, 9 August 2016

বানরের হাতে ওঠে গ্যাছে লাঠি, যা ইচ্ছে তো করবেই...

নোংরামিরও একটা সীমা থাকে বলে জানতাম। কিন্তু যখন কর্তৃপক্ষ একসাথে ৩৫টি নিউজপোর্টাল বিনা উস্কানিতে ব্লক করে দিয়েছে বলে শোনা যায়, তখন মনে হয় যেন নোংরামির কোনো সীমা থাকতে নেই... শিশুবয়স থেকে রেডিও তেহরানের বাংলা অনুষ্ঠান শুনছি, কোনও দিনও মনে হয়নি যে ওরা কাউকে উস্কাচ্ছে। অথচ শীর্ষ কর্মকর্তা হয়তো কোনও দিন রেডিও তেহরান না শোনেই এর ওয়েবেসাইট ব্লক করে দিল। হায়! অসহায়ত্ব... বানরের হাতে ওঠে গ্যাছে লাঠি, যা ইচ্ছে তো করবেই... তবুও জয় বাংলা!!!

Tuesday, 2 August 2016

সম-অধিকারের ডুগডুগি



ঢাকার একটি রোড সিগন্যালে দাঁড়িয়ে আছি, লোকাল বাসের অপেক্ষায়, সাথে আরও জন সাতেক রয়েছেন। মহিলা ২ জন, মহিলা বলতে ত্রিশ কি পঁয়ত্রিশের কোটার যুবতী।
বাসের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে অস্থির সবাই...
একসময় অস্থিরতার দেয়াল ভেঙে দিয়ে সিগন্যালের কাছাকাছি বাস এলো, হাত নাড়িয়ে ইশারা করলাম, কিন্তু প্রত্যাশা মাফিক একেবারে থামলো না বাস, ধীর ধীরে চলতেই থাকলো। এমনভাবে চলতে থাকলো যে, যে কোনো শক্ত-সমর্থবান, জোয়ান-মর্দ্দ পুরুষ বাসে ওঠে পড়তে সক্ষম। সময় বাঁচাতে দৌড় মেরে বাসে ওঠে পড়লাম, এমনকি সাথের সব ক’জন পুরুষও ওঠে পড়তে সক্ষম হলো। কিন্তু মহিলা দুইজন যুবতী হওয়া সত্ত্বেও পুরুষদের সাথে তালমিলিয়ে দৌড়ে গিয়ে বাস ধরতে সক্ষম হলো না। এসব ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের সম-অধিকার কীভাবে বাস্তবায়িত করা সম্ভব। নারীবাদীগণের কাছে প্রশ্ন রইলো?

Monday, 1 August 2016

সিম নিয়ে সরকারের মাথাব্যাথা কেন?



আমি মনে করি, একজন ব্যক্তি (নাগরিক) ইচ্ছানুযায়ী মোবাইল ফোন সংযোগ বা সিম ক্রয় করতে পারে। ১টি, ৫টি বা ২০টির নির্দিষ্টতার কোনো মানে হয় না। সরকার বরং এখানে কড়াকড়ি আরোপ করতে পারে, যেমন: জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে বা এরুপ অন্যান্য কারণ দেখিয়ে। কঠোর নিয়মের মাধ্যমে সিম ক্রয়-বিক্রয়, একজনের নামে নিবন্ধিত সিম অন্য কারও কাছে পাওয়া গেলে বা অন্য কেউ ব্যবহার করলে এবং তা যদি থানায় জিডি করা না থাকে তাহলে দুই ব্যক্তিকেই মোটা অংকের জরিমনা করা ইত্যাদি।
একটি দেশের সর্বময় অভিভাবক হলো সে দেশের সরকার। সরকারের হাতে জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব সর্বোপরি জাতির সুখ-দুঃখ, উন্নতি-অবনতির চাবিকাঠির ন্যাস্ত। এরকম গুরু দ্বায়িত্বে থাকার পরও সরকার যদি মোবাইল সংযোগের মতন সামান্য বিষয় নিয়ে দিনের পর দিন আনুষ্ঠানিকভাবে লেগে থাকে, বৃহত্তর করদাতা জনগণের করের অর্থ অপচয় করে চলে- তাহলে সেটা অনেকটা রাষ্ট্রযন্ত্র কর্তৃক মাছি মারতে কামান দাগার মতো মনে হবে বৈকি!

ওয়াজেদ দেবদূত
আইন বিভাগ
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
ধানমন্ডি, ঢাকা।
+8801711167940

www.fb.com/wazeddevdoot