Wednesday, 27 July 2016

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অনুরোধ:

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অনুরোধ:
'সুপ্রিয় সুহৃদ,
শুভেচ্ছা জানবেন। রাষ্ট্র ও জনগনের জন্য হুমকি স্বরূপ সন্দেহজনক religious terrorism বিষয়ে যে কোন ধরণের অনলাইন কর্মকাণ্ড, Social media তে কোন সন্দেহজনক পোস্ট, আইডি ,লিঙ্ক বা cyber terrorism সংক্রান্ত যে কোন ধরণের Threat জানলে ও এ সংক্রান্ত কোন information থাকলে সাথে সাথে e-mail করুন -cyberunit@dmp.gov.bd এই ঠিকানায়

জঙ্গী দেশীয় না কি বহির্দেশীয়

জঙ্গী দেশীয় না কি বহির্দেশীয়, এটা বিবেচ্য নয়। বিবেচ্য এটাই, যে জঙ্গীরা সুযোগ নিচ্ছে ক্যামন করে। আওয়ামীলীগ বিএনপির পরস্পরবিরোধী অপরাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে নাকি এটা ভারত, আমেরিকা, ইসরাইলের রুটিনওয়ার্ক? রুটিনওয়ার্ক বলতে এরা মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোতে সংকট তৈরি করে মরুব্বিগোছের আধিপত্য বিস্তারের ভিতর দিয়ে অঘোষিত উপনিবেশ চালু করে! যেমনটা সৌদিআরবে, কুয়েতে, ইয়েমনে, আফগানে হয়েছে!

cfxgcb nfghfg

dskvjhdkvhx  lxjvxcxckn 

Monday, 25 July 2016

"আমি এই সরকারি খুতবা মসজিদের মিম্বারে পড়াব না।"

নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার
নরোত্তমপুর ইউনিয়নের বানদত্ত বাজার
জামে মসজিদে শুক্রবার জুমার
নামাজে সরকারি খুৎবা পড়তে
অস্বীকার করে মসজিদের ইমাম
হাফেজ বেলাল হোসেন;
ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রদত্ত
খুতবা পড়ানোর জন্য স্থানীয়
আওয়ামী সমর্থক নজির আহমদ ও
সায়েদুল হক মেম্বার হাফেজ বেলাল
হোসেনকে চাপ প্রয়োগ করে , ইমাম
সাহেব তখন বললেন,
__"আমি এই সরকারি খুতবা মসজিদের
মিম্বারে পড়াব না।"
এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আওয়ামী লীগ
সমর্থকরা তাকে মিম্বার থেকে ধরে
এনে আটকে রেখে বেদম মারপিট করে।
পরে কবিরহাট উপজেলা আওয়ামী
লীগের সভাপতি রুমী পুলিশকে খবর
দিয়ে ওই ইমামকে সোপর্দ করে।
আজকে স্থানীয় জনতা থানায় গিয়ে
হাফেজ বেলাল হোসেনের কাছে
গিয়ে অনুরোধ করে আওয়ামীলীগের
সেই নেতাদের কাছে ক্ষমা চেয়ে
মুচলেকা দিয়ে মুক্ত হয়ে আসবার জন্য।
জবাবে হাফেজ বেলাল হোসেন বলেন
___,"দরকার হলে জেলে থাকবো
তারপরেও ক্ষমা চাইবো না।"
আমার ক্ষুদ্র সামর্থ থেকে হাফেজ
বেলাল ভাইয়ের জন্য কোন কিছুই করা
সম্ভব না, তবে অন্তরের অন্তঃস্থল
থেকে দোয়া করি বেলাল ভাইয়ের
জন্য;
ক্ষমাতার লোভে অন্ধ হয়ে থাকা
আওয়ামীলীগের নেতারা একজন
কোরআন হাফেজের সন্মান দিতে ভুলে
গেছে, মসজিদ কে আজ পল্টন আর
বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের রাজনৈতিক
ময়দান বানাতে চাইছে,
কিন্তু সবাই সব কিছু সহ্য করে না,
স্রোতের বিপরীতে কেউ না কেউ
দাঁড়িয়ে যায়...
তাদের একজন হচ্ছেন আমাদের
হাফেজ বেলাল হোসেন ভাই।
স্যালুট! 

তাজমহলের মজা তো একাই লুটছে ভারত পর্যটন বাণিজ্যের নামে!

ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির জনৈক নেতা বলেছিলেন, সম্রাট শাহজাহান জনতার বিপুল পরিমাণ অর্থের অপচয় করেছেন তাজমহল বানাতে। সত্যিই তো আমাদের বা পাকিস্তানের পক্ষে এখন এটাকে নিছক অপচয় বিনা আর কিছুরই স্বীকৃতি দেয়া উচিৎ নয়। কারণ সমগ্র মুঘল রাজত্বের রাজস্বে তৈরিকৃত তাজমহলের মজা তো একাই লুটছে ভারত পর্যটন বাণিজ্যের নামে !
কবে আর বোধোদয় হবে?

Friday, 22 July 2016

বাগানের বেড়া যদি ফসলাদি খেয়ে ফেলতে চায়

বাগানের বেড়া যদি ফসলাদি খেয়ে ফেলতে চায়, নির্জীব বেড়াটারে হয়তো তেমন কিছুই করা চলে না কিন্তু তুরস্কের বৈধ সরকারকে যেসকল বিভ্রান্তবাদী, ভ্রষ্টাচারী, বিপথগামী সেনাসদস্য ক্ষমতাচ্যুত করতে চেয়েছিল ওদেরকে জাতীয় ফুটবল স্টেডিয়ামে জনতার আদালতে বিচারের সম্মুখীন করাটাই হবে ন্যায় বিচার!

তুরস্কে উশৃঙখল কতিপয় সেনা কর্তৃক বৈধ সরকারকে উৎখাতের চেষ্টা

পাঠক দেখলেন তো! তুরস্কে উশৃঙখল কতিপয় সেনা কর্তৃক বৈধ সরকারকে উৎখাতের চেষ্টা করা হলে প্রধান বিরোধী দল সহ সমস্ত রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন সরকারের পাশে দাঁড়িয়েছেে। আল্লাহ না করুন, আমাদের সোনার বাংলায় এমনটি হতে পারে বলে ভাবা যায়? কেনো? ওরা কেনো রাজনীতি করে? কার জন্য রাজনীতি করে?

এক যে ছিল মজার দেশ

"মজার দেশ" নামে একটা ছড়া পড়েছিলাম, ২০০২ সালে, ক্লাস টুয়ে, ভীষণ মজার ছড়া! এখনকার পণ্ডিতগণ পাঠ্যসূচী থেকে এই ছড়াটা বাদ দিয়ে দিছেন। কেউ কি আছেন এমন যে ছড়াটা পুরো পাঠাতে পারেন?
কিয়দংশ:
এক যে ছিল মজার দেশ
সব রকমে ভালো,
রাত্রিতে বেজায় রোদ
দিনে চাঁদের আলো।
আকাশ সেথায় সবুজ বরণ
ডাঙায় চড়ে রুই...

৪৭'এ পাক-ভারত অসম যমজ রাষ্ট্রের জন্ম দিয়ে বৃটেন যে বেশ্যা মা তার প্রমাণ রেখে গেলো। (দেশকে মা ভাবলে!)

এই কথাটা একতরফা ভাবেই সত্য যে, বৃটিশরা আমাদের উপমহাদেশে না এলে আমরা আফ্রিকার গহীন জঙ্গলের চাইতেও আর ঘন জঙ্গলের জংলীই থেকে যেতাম। কিন্তু রক্তচোষা বৃটিশরা বাংলা এবং পাঞ্জাবকে দ্বিখণ্ডিত করে বিশ্বসমাজ থেকে দুটি সর্বশ্রেষ্ঠ জাতিকে অনির্বার্য অধ্বপতির দিকে ঠেলে দিয়েছে। ৪৭'এ পাক-ভারত অসম যমজ রাষ্ট্রের জন্ম দিয়ে বৃটেন যে বেশ্যা মা তার প্রমাণ রেখে গেলো। (দেশকে মা ভাবলে!)
ব্রেক্সিট, ইরাকযুদ্ধ তদন্ত থেকে নবপর্যায়ে শুরু হলো বৃটেনের চরম অধ্বপতন...
ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না...
‪#‎brexit‬

Saturday, 16 July 2016

ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ ও রাষ্ট্রধর্ম



ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ ও রাষ্ট্রধর্ম

স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশের পর প্রায় অর্ধশত বছর পেরিয়ে এসেছে আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ। কিন্তু তবও আমরা পারছিনা। একটি জাতির ভাগ্য বদলের জন্য এই অর্ধশত বৎসর নেহাৎ কম সময় নয়।জাতি ফেলে আসা শৈশবে-কৈশোরে যৌবনে আত্মমর্যাদাশীল, উন্নত, সমৃদ্ধশালীর খেতাব না পেলেও সর্বাত্মক দলাদলি, আমলাতান্ত্রিক জমিদারি এবং মেরুদন্ডহীন বিচার ও পুলিশ প্রশাসন গড়ে তোলার খেতাব পেয়ে বসে আছে।
পবিত্র সংবিধানে উল্লেখিত অন্যতম রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হলো ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ। রাষ্ট্রীয় মূলনীতি যদি ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ হয়ে থাকে-তাহলে ‘প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম এবং হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীস্টানসহ অন্যান্য ধর্ম পালনে রাষ্ট্র সমমর্যাদা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করিবেন’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
দ্বিতীয়ত, রাষ্ট্রীয় মূলনীতি যদি ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ হয়- তাহলে ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক সংগঠনগুলো কীভাবে জাতীয় সংসদ বা আইন সভার প্রতিনিধি নির্বাচনে অংশ নেয়?

অর্থ্যাৎ আমার উত্থাপিত প্রশ্ন হলো এই, একই সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা, প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম, ধর্মীয় রাজনৈতিক সংগঠনের অধিকার একত্রে চলতে পারে কি না?

ওয়াজেদ দেবদূত
আইন বিভাগ
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।
ফোন: 01626669999
fb.com/wazeddevdoot.

Tuesday, 12 July 2016

শিক্ষাবান্ধব নীতির কারণে শিক্ষার হার আকাশচুম্বী



ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নেবিভোর বর্তমান সরকারের ব্যাপক শিক্ষাবান্ধব নীতির কারণে শিক্ষার হার আকাশচুম্বী। কিন্তু পাবলিক পরিক্ষার পূর্বমূহুর্তে প্রশ্নপ্রত্র ফাঁস এবং আইএম জিপিএ ফাইভ প্রকৃতির বিতর্কিত ইস্যুর কারণে শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়।
মধ্যম আয়ের(?) বাংলাদেশে হাজার-হাজার স্কুল-কলেজ, মাদ্রসার এমপিও নেই। অত্যন্ত নিম্ন বেতনে লক্ষ্যাধিক শিক্ষক-কর্মচারী পেশাগতভাবে এসকল প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত আছেন। এতে স্পষ্ট হয় যে, তাদের জীবনযাত্রার মান অন্যান্য মধ্যম আয়ের দেশের চাকুরেদের মতো নয়!
যাক, সম্প্রতি খবরে শোনা গেল যে কর্তৃপক্ষ অনেকগুলো এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানকে জাতীয়করণ করেছেন। এটাকে একঘেঁয়ে সিদ্ধান্ত বলে ধরে নিতে হবে কেননা, উচিৎ হতো প্রথমে স্বল্পব্যয়ী প্রতিষ্ঠানগুলোকে এমপিওভুক্ত করণের মাধ্যমে তাদের স্বপ্নের ডিজিটাল বাংলাদেশের মূলস্রোতে সম্পৃক্ত করা।

Monday, 11 July 2016

Tuesday, 5 July 2016

এখানে ধর্ম হলো লোক ঠকানো ব্যবসার জিনিশ

আমরা অপরাধ করিও, অপরাধকে প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে স্বীকারও করি, করি বলেই আইন, আদালতও তৈরি করে রেখেছি। তার মানে কি এটা বলা যায় না যে, আমরা নৈতিকতারও ধার ধারি না। আর যেখানে নৈতিকতার মতন সাধারণ জিনিশটাই অনুপস্থিত সেখানে কিসের ধর্ম পালন, আর কিসের স্রষ্টার এবাদত।
মূলত, নৈতিকতার জন্ম ধর্মীয় আচার থেকেই, কিন্তু এক্ষেত্রে আমাদের সোসাইটির প্রেক্ষাপট ভিন্ন, এখানে ধর্ম হলো লোক দেখানো চটক, এখানে ধর্ম হলো লোক ঠকানো ব্যবসার জিনিশ। এখান ধর্মকর্মে নৈতিকতার সুবাস তো অনেক দূরের কথা, গন্ধটাও নাই।