Thursday, 15 September 2016

ওকালতি পেশায় আইনের সদ্ব্যবহার








মনে করুন কোনও ব্যক্তি অপর ব্যক্তির আক্রমনে নিহত কিংবা গুরুতর আহত হলো। এও মনে করুন যে, নিহত বা আহত হবার ব্যাপারটি দুর্ঘটনা নয়। দুর্ঘটনা না হওয়ার কারণে নিহত বা আহত ব্যক্তি রাষ্ট্রের কাছে বিচারপ্রার্থী আর খুনী বা জখমকারী ব্যক্তি রাষ্ট্রের কাছে দোষী এবং দ-প্রাপ্য। ফলত আদালতের দারস্থ হলো নিহত বা আহত ব্যক্তির পক্ষ। আদালতের মধ্যস্থতায় বিচারকার্য পরিচালিত হবে। স্বভাবতই মামলার বাদীপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত কিংবা বাদীপক্ষ নিযুক্ত উকিল দাঁড়াবে অপরাধীকে শাস্তি দিয়ে ভিক্টিমকে ন্যায় বিচার পাইয়ে দিতে।
কিন্ত আমার খটকা লেগে যায় তখনি যখন দেখতে পাই খুনী বা জখমকারী সাক্ষ্য-প্রমাণের মাধ্যমে বিচারকার্য চলার পূর্বেই চিহ্নিত হয়, এমনকি লোকসমাজে জানাজানিও হয়ে যায় যে, অমুক তো অমুককে খুন করেছে কিংবা অমুক তো অমুকের  মাথা ফাটিয়েছে বা বুকে ছুরি মেরেছে তবুও খুনীর পক্ষে কেনো উকিল দাঁড়ায়? বিবাদীপক্ষের উকিল কি অপরাধীকে না জেনেই মামলায় ওকালতনামা প্রাপ্ত হন? নাকি জেনেশুনেও সত্যকে মিথ্যা আর মিথ্যাকে সত্য বানাবার জন্য নৈতিকতা এবং ওকালতি পেশার পবিত্র ধর্মকে, মহান দায়িত্ব-কর্তব্যকে বিসর্জন দিয়ে আইনের ফাঁকফোকরের সদ্ব্যবহার করেন? আইনের মতো পবিত্র জিনিসটা যে টাকা-পয়সার সামনে কিছুই না, তাই এ সমস্ত উকিলদের কার্যকলাপ না দেখলে বুঝবেন না আপনি!