Saturday, 16 July 2016

ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ ও রাষ্ট্রধর্ম



ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ ও রাষ্ট্রধর্ম

স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশের পর প্রায় অর্ধশত বছর পেরিয়ে এসেছে আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ। কিন্তু তবও আমরা পারছিনা। একটি জাতির ভাগ্য বদলের জন্য এই অর্ধশত বৎসর নেহাৎ কম সময় নয়।জাতি ফেলে আসা শৈশবে-কৈশোরে যৌবনে আত্মমর্যাদাশীল, উন্নত, সমৃদ্ধশালীর খেতাব না পেলেও সর্বাত্মক দলাদলি, আমলাতান্ত্রিক জমিদারি এবং মেরুদন্ডহীন বিচার ও পুলিশ প্রশাসন গড়ে তোলার খেতাব পেয়ে বসে আছে।
পবিত্র সংবিধানে উল্লেখিত অন্যতম রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হলো ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ। রাষ্ট্রীয় মূলনীতি যদি ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ হয়ে থাকে-তাহলে ‘প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম এবং হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীস্টানসহ অন্যান্য ধর্ম পালনে রাষ্ট্র সমমর্যাদা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করিবেন’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
দ্বিতীয়ত, রাষ্ট্রীয় মূলনীতি যদি ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ হয়- তাহলে ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক সংগঠনগুলো কীভাবে জাতীয় সংসদ বা আইন সভার প্রতিনিধি নির্বাচনে অংশ নেয়?

অর্থ্যাৎ আমার উত্থাপিত প্রশ্ন হলো এই, একই সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা, প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম, ধর্মীয় রাজনৈতিক সংগঠনের অধিকার একত্রে চলতে পারে কি না?

ওয়াজেদ দেবদূত
আইন বিভাগ
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।
ফোন: 01626669999
fb.com/wazeddevdoot.