Monday, 28 November 2016

একটি মহাপ্রলয়ের জন্য প্রার্থনা

একটি মহাপ্রলয়ের জন্য প্রার্থনা

বিস্তীর্ণ মরুর আগুনমুখো বালুকার পৃষ্ঠদেশে মগজখেকো সূর্য মাথায় 
তোমার কাছে একটি মহাপ্রলয়ের চেয়ে বেশি আর কিছুই চাওয়ার নেই প্রভু

তুমি তো সেই কবেই বিষচোখা সিডর হয়ে গিয়েছ
তোমার দৃষ্টিতে আর পোশাকি বেড়ালগুলোর গৃহঘাতক বাঘ হয়ে যাওয়া প্রতিবিম্বিত হয় না

তুমি তো সেই কবেই টিকি দাঁড়ির মুখোশে মসজিদে মন্দিরে
প্রসাদ-তবারক হাসিলের মুরাক্বাবায় মগ্ন হয়ে রয়েছো প্রভু
কী করে অনুভব করবে তুমি
৬ মাস বয়েসী জানে আলমের ক্ষুধায়, পিপাসায় খুন হয়ে যাওয়ার করুণ অনূভুতি
কোটি কোটি রোহিঙ্গা অরোহিঙ্গা জানে আলমেরা
দিনের পর দিন একফোটা মাতৃদুগ্ধ নয় জলের পিপাসায় খুন হয়ে যাচ্ছে
আর তুমি পড়ে আছো তোমার লোভাতুর জিহ্বার সেবায়েত হয়ে

প্রভু তুমি তো সেই কবে থেকেই কেতাবী গণতন্ত্রী
কী করে জানবে তুমি
এখানে গণতন্ত্রের নামে হুমায়ুন আজাদের মহান শয়তান নাটক মঞ্চস্থ হয় অষ্টপ্রহর
এখানে যে যত বড় শঠ, ধূর্ত
সে তত  উচ্চতর সনদধারী গণতন্ত্রী

হে প্রভু তুমি সেই কবের মহা জঙ্গল পরিকল্পনাবিদ
একালে অভিনব এক রূপ দিয়েছ জঙ্গলের
তোমার নকশায় পরিকল্পিত আধুনিক সভ্য জঙ্গলের নাম দাঁড়িয়েছে: রাষ্ট্র
তোমার পুরোনো জঙ্গল আর আধুনিক রাষ্ট্রের ধর্মে ও প্রকৃতিতে পার্থক্য নাই বিশেষ
জোর যার মুল্লুক তার দুটোরই মৌলিক আইন
একটাতে বলশালী সিংহ করে নিরীহ হরিণ শিকার
অন্যটাতে বস্ত্রবাস্তুহীন মজুরের ঘামের দামে গড়ে ওঠে
হোয়াইট হাউস, বঙ্গভবন, ওয়াশিংটন, গুলশান

তাই তো আজ আর তোমার দরবারে কোনও ফরিয়াদ নিয়ে আসতে পারিনি
জগতের সমস্ত মজলুমের পক্ষে অন্তিম এক প্রার্থনা নিয়ে এসেছি
হে জগৎ সমূহের মালিক! দোহাই তোমার!
এমন করে আর পিষে মেরো না আমাদের
তোমার মহাশক্তিধর ওষ্ঠের অল্প জোরের ফুঁৎকারে
মূল্যহীন ছাইয়ের মতন, রাজপথের পরিত্যক্ত ধূলোর মতন
উড়িয়ে দাও আমাদের
আসমানে জমিনে, পাতালে, সাগরে মহাসাগরে
ছিন্নবিন্ন, নির্বংশ করে দাও আমাদের আবাল বৃদ্ধ বনিতা বংশসমূদয়

থাকো তুমি মহাসুখে
মসজিদে মন্দিরে গির্জায় প্যাগোডায়Ñ
তোমার প্রিয়তম জর্জ ডব্লিউ বুশ, অং সাং সূচি
আল-সৌদ, মোদী, এলিজাবেথ আর বুনো ইসরাইলিদের নিয়ে
একটি মহাপ্রলয়ের জন্য নিরভিমান এই প্রার্থনা আমার কবুল করে নাও মালিক!
চিরতরে মুক্তি দাও আমাদের

ওয়াজেদ দেবদূত
২৮.১১.২০১৬
01711167940
wazeddevdoot@lawyer.com


#SaveRohingya #StopRohingyaKilling #OIC #UN #US #UK #Burma #BBC #VOA #Iran #WazedDevdoot

Sunday, 16 October 2016

যে কারণে বন্দুকযুদ্ধ মঙ্গলজনক



সিনেমার সৎ সাহসী বীরটাইপের পুলিশ আর আমাদের দেশের বাস্তব পুলিশ প্রায় সেইম জিনিশপার্থক্য হইলো এইটুকুই, সিনেমার পুলিশদের দিয়ে কাহিনিকার নিজের ইচ্ছে মতন হিরোগিরি করানআর বাস্তবের পুলিশরা জাতির প্রতি পবিত্র দায়িত্ব রক্ষার্থে হিরোগিরি করেনসিনেমার  একেকজন সৎ সাহসী এসিপি বা ইন্সপেক্টর কাহিনিকারদের দয়ায় ডজন ডজন গুণ্ডা ভিলেনকে একাই কুপোকাত করে ফেলতে পারেনবাস্তবের পুলিশরাও রাতবিরাতে জঙ্গীদলের সাথে, সন্ত্রাসবাদী গ্যাংয়ের সাথে বন্দুকযুদ্ধে অবর্তীর্ণ হনবাস্তবে ফিল্মি স্টাইলের বন্দুকযুদ্ধে এসিপিরা বা ইন্সপেক্টররা সাধারণত য্দ্ধু ময়দানে নামেন নাযদিওবা ইন্সপেক্টর যুদ্ধে নামেন, সিনেমার হিরো ইন্সপেক্টরের মতন একা নামেন নাবন্দুকযুদ্ধে হয়ত ডজন ডজন সন্ত্রাসী নামেপুলিশও তাই নামে প্লাটুন প্লাটুন
তো সিনেমার আর বাস্তবে সাদৃশ্য দেখতে পাবেন এইখানে, সিনেমার নিরস্ত্র পুলিশ অফিসার একাই হালি হালি গুণ্ডাকে ফেলে দেয়দেশে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠিত করেসত্য প্রতিষ্ঠা করেসমাজে রাষ্ট্রে আইনের শাসন কায়েম করেআর বাস্তব বন্দুকযুদ্ধে আধুনিক অস্ত্রে সুসজ্জিত সন্ত্রাসীরাই শুধু ধড়াম ধড়াম গুলি খেয়ে পড়ে যায়বীর বন্দুকযোদ্ধা ইন্সপেক্টররা, সাব-ইন্সপেক্টররা বা তাঁদের বন্দুকযুদ্ধ বাহিনীর কমান্ডোদের গায়ে কখনোই গুলি ফুটে না
এভাবে জাতির সাহসী সন্তান বন্দুকযোদ্ধারা ১৯৭১-এ ৩০ লাখ মানুষের রক্তে অর্জিত, ২ লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন সার্বভৌম, অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক, বিশ্ব-শান্তির প্রতীক সোনার বাংলার মানবাধিকারের সুরক্ষা দিয়ে চলেছেনগণতন্ত্রের সুরক্ষা দিয়ে চলেছেনআইনের শাসন যথাযথভাবে অক্ষুন্ন রেখে চলেছেনআইনের প্রতি সর্বাত্মক শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করে চলেছেনফ্রেমে বাঁধাই করে রাখার মতন কাজ করে চলেছেন তাঁরা সমাজের জন্য, রাষ্ট্রের জন্য

জয় পুলিশ বাহিনী, জয় বাংলা­­­­­­

Sunday, 25 September 2016

যুদ্ধাবস্থায় ভারত পাকিস্তান: বাংলাদেশের কী করা উচিত



দক্ষিণ এশিয়ার প্রভাবশালী দুই প্রতিদ্বন্দ্বি ভারত পাকিস্তানের আঞ্চলিক ও জাতিগত দিক থেকে সবচাইতে নিকটতম প্রতিবেশী দেশ হলো বাংলাদেশ। ’৪৭ পূর্ববর্তী ব্রিটিশ ভারতে পাকিস্তান বাংলাদেশ বর্তমান ভারতের সাথে অঙ্গরাজ্যের মর্যাদায় যুক্ত ছিলো। পরবর্তীতে রাজনৈতিক বিভক্তির কারণে নতুন ৩টি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রের জন্ম হয়। জন্মলগ্ন থেকেই ভারত-পাকিস্তান রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বি। জাতীয় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে ভারত পাকিস্তানের সর্বস্তরের জনগণও মানসিকভাবে পরষ্পরের প্রতি হিংসাত্মক হয়ে ওঠছে। যদিও ভারত নিজেকে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশ বলে দাবি করে, তবুও আমার মনে হয় এই রেষারেষি কোনও দেশের জন্যেই মঙ্গলজনক নয়।
ভারত পাকিস্তানের যুদ্ধংদেহী অবস্থানে বাংলাদেশের উচিৎ সমঝোতার আয়োজন করা। এর আগেও দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক) গঠনের উদ্যোক্তা হিসেবে বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশের প্রতি দায়িত্বশীল ও যতœবান হিসেবে নিজেকে তুলে ধরেছে। দূরবিশ্বের নানান অঞ্চলের যুদ্ধবিধ্বস্ত, দুর্যোগপ্রবণ দেশে জাতিসংঘ শান্তি মিশনে সেনা প্রেরণের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বের আন্তর্জাতিক সমাজে অন্যতম শান্তিপ্রিয়, যুদ্ধবিরোধী, জোটনিরপেক্ষ দেশ হিসেবে সুনাম কুড়িয়েছে।
এর পরিপ্রেক্ষিতে আমার প্রত্যাশা এটাই যে, দোষগুণ আপাতত পিছনে রেখে ভ্রাতৃপ্রতি ভারতীয় ও পাকিস্তানি জাতির দুঃসময়ে তাদের শান্তির পথে আহ্বান জানানো। নিজেদের উন্নত বিশ্বের প্রতিদ্বন্দ্বি ভেবে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে উন্নয়নের পথে এগিয়ে চলা...  

Tuesday, 20 September 2016

নিশ্চয়ই সৎকর্মীরা কলম সৈনিকদের ভয় পায় না।

হে মুখোশধারী ভদ্র মহোদয়গণ,
তোমরা নিজেরাও জানো যে, আয়না নিজে কারো চেহারা তৈরী করে দেখায় না। আয়নার সামনে যে চেহারা নিয়ে দাঁড়াবে তা-ই আয়নায় ভেসে ওঠবে। আমরাও কলমের কালি ঝরিয়ে তোমাদের এমন কিছু বৃত্তান্ত লিখে ফেলতে পারি না যা তোমাদের নয়। তোমরা সোসাইটিতে ঘটন-অঘটন যা কিছু ঘটাচ্ছো আমরা তা-ই লিখছি।
কাজেই হে ভদ্র সম্প্রদায়,
তোমরা আমাদের ভয় পেয়ো না এবং কোনও অঘটন ঘটিয়ো না, আমরাও তোমাদের নিয়ে তোমাদের ভাষায় কুৎসা রটনোর সুযোগটা পাবো না। তোমরা মন ভরে সৎকর্ম করো। নিশ্চয়ই সৎকর্মীরা কলম সৈনিকদের ভয় পায় না।  

Thursday, 15 September 2016

ওকালতি পেশায় আইনের সদ্ব্যবহার








মনে করুন কোনও ব্যক্তি অপর ব্যক্তির আক্রমনে নিহত কিংবা গুরুতর আহত হলো। এও মনে করুন যে, নিহত বা আহত হবার ব্যাপারটি দুর্ঘটনা নয়। দুর্ঘটনা না হওয়ার কারণে নিহত বা আহত ব্যক্তি রাষ্ট্রের কাছে বিচারপ্রার্থী আর খুনী বা জখমকারী ব্যক্তি রাষ্ট্রের কাছে দোষী এবং দ-প্রাপ্য। ফলত আদালতের দারস্থ হলো নিহত বা আহত ব্যক্তির পক্ষ। আদালতের মধ্যস্থতায় বিচারকার্য পরিচালিত হবে। স্বভাবতই মামলার বাদীপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত কিংবা বাদীপক্ষ নিযুক্ত উকিল দাঁড়াবে অপরাধীকে শাস্তি দিয়ে ভিক্টিমকে ন্যায় বিচার পাইয়ে দিতে।
কিন্ত আমার খটকা লেগে যায় তখনি যখন দেখতে পাই খুনী বা জখমকারী সাক্ষ্য-প্রমাণের মাধ্যমে বিচারকার্য চলার পূর্বেই চিহ্নিত হয়, এমনকি লোকসমাজে জানাজানিও হয়ে যায় যে, অমুক তো অমুককে খুন করেছে কিংবা অমুক তো অমুকের  মাথা ফাটিয়েছে বা বুকে ছুরি মেরেছে তবুও খুনীর পক্ষে কেনো উকিল দাঁড়ায়? বিবাদীপক্ষের উকিল কি অপরাধীকে না জেনেই মামলায় ওকালতনামা প্রাপ্ত হন? নাকি জেনেশুনেও সত্যকে মিথ্যা আর মিথ্যাকে সত্য বানাবার জন্য নৈতিকতা এবং ওকালতি পেশার পবিত্র ধর্মকে, মহান দায়িত্ব-কর্তব্যকে বিসর্জন দিয়ে আইনের ফাঁকফোকরের সদ্ব্যবহার করেন? আইনের মতো পবিত্র জিনিসটা যে টাকা-পয়সার সামনে কিছুই না, তাই এ সমস্ত উকিলদের কার্যকলাপ না দেখলে বুঝবেন না আপনি!

Sunday, 11 September 2016

টাম্পাকোর আগুনে দগ্ধ ঈদ


বড়লোকেদের (?) কলে-কারখানায় কাজ করা গরীবের শক্ত হাতগুলো ক্রমশই অবশ হয়ে যাচ্ছে। সত্যি বলতে অবশ হয়ে যাচ্ছে না, ছলে কৌশলে অবশ করে দেয়া হচ্ছে। নইলে কেন বারেবারে নিরীহ অসহায় শ্রমিকদের উপর এই পৈশাচিক বর্বরতা? নৃশংসতা? দেখার কি কেউই নেই?
টাম্পাকোতে নিহতদের কি ঈদ ছিল না? ঈদের আগেই কেন তাদের কারখানায় আগুনে পোড়ে মরতে হলো? এর আগেওকি অন্য কারখানায় এমন দুর্ঘটনা ঘটেনি? ঘটে থাকলে পূর্ব অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে কেন আমরা দূর্ঘটনা এড়াতে পারি না? আসলে দায়সারা গোছের লোকেরা বসে আছে বিরাট বিরাট দ্বায়িত্ব নিয়ে! এরাই যত অনিষ্টের মূলে।
টাম্পাকোর আগুনে দগ্ধ ঈদ ট্র্যাজেডির খলনায়ক এরাই।

Tuesday, 9 August 2016

বানরের হাতে ওঠে গ্যাছে লাঠি, যা ইচ্ছে তো করবেই...

নোংরামিরও একটা সীমা থাকে বলে জানতাম। কিন্তু যখন কর্তৃপক্ষ একসাথে ৩৫টি নিউজপোর্টাল বিনা উস্কানিতে ব্লক করে দিয়েছে বলে শোনা যায়, তখন মনে হয় যেন নোংরামির কোনো সীমা থাকতে নেই... শিশুবয়স থেকে রেডিও তেহরানের বাংলা অনুষ্ঠান শুনছি, কোনও দিনও মনে হয়নি যে ওরা কাউকে উস্কাচ্ছে। অথচ শীর্ষ কর্মকর্তা হয়তো কোনও দিন রেডিও তেহরান না শোনেই এর ওয়েবেসাইট ব্লক করে দিল। হায়! অসহায়ত্ব... বানরের হাতে ওঠে গ্যাছে লাঠি, যা ইচ্ছে তো করবেই... তবুও জয় বাংলা!!!

Tuesday, 2 August 2016

সম-অধিকারের ডুগডুগি



ঢাকার একটি রোড সিগন্যালে দাঁড়িয়ে আছি, লোকাল বাসের অপেক্ষায়, সাথে আরও জন সাতেক রয়েছেন। মহিলা ২ জন, মহিলা বলতে ত্রিশ কি পঁয়ত্রিশের কোটার যুবতী।
বাসের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে অস্থির সবাই...
একসময় অস্থিরতার দেয়াল ভেঙে দিয়ে সিগন্যালের কাছাকাছি বাস এলো, হাত নাড়িয়ে ইশারা করলাম, কিন্তু প্রত্যাশা মাফিক একেবারে থামলো না বাস, ধীর ধীরে চলতেই থাকলো। এমনভাবে চলতে থাকলো যে, যে কোনো শক্ত-সমর্থবান, জোয়ান-মর্দ্দ পুরুষ বাসে ওঠে পড়তে সক্ষম। সময় বাঁচাতে দৌড় মেরে বাসে ওঠে পড়লাম, এমনকি সাথের সব ক’জন পুরুষও ওঠে পড়তে সক্ষম হলো। কিন্তু মহিলা দুইজন যুবতী হওয়া সত্ত্বেও পুরুষদের সাথে তালমিলিয়ে দৌড়ে গিয়ে বাস ধরতে সক্ষম হলো না। এসব ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের সম-অধিকার কীভাবে বাস্তবায়িত করা সম্ভব। নারীবাদীগণের কাছে প্রশ্ন রইলো?

Monday, 1 August 2016

সিম নিয়ে সরকারের মাথাব্যাথা কেন?



আমি মনে করি, একজন ব্যক্তি (নাগরিক) ইচ্ছানুযায়ী মোবাইল ফোন সংযোগ বা সিম ক্রয় করতে পারে। ১টি, ৫টি বা ২০টির নির্দিষ্টতার কোনো মানে হয় না। সরকার বরং এখানে কড়াকড়ি আরোপ করতে পারে, যেমন: জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে বা এরুপ অন্যান্য কারণ দেখিয়ে। কঠোর নিয়মের মাধ্যমে সিম ক্রয়-বিক্রয়, একজনের নামে নিবন্ধিত সিম অন্য কারও কাছে পাওয়া গেলে বা অন্য কেউ ব্যবহার করলে এবং তা যদি থানায় জিডি করা না থাকে তাহলে দুই ব্যক্তিকেই মোটা অংকের জরিমনা করা ইত্যাদি।
একটি দেশের সর্বময় অভিভাবক হলো সে দেশের সরকার। সরকারের হাতে জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব সর্বোপরি জাতির সুখ-দুঃখ, উন্নতি-অবনতির চাবিকাঠির ন্যাস্ত। এরকম গুরু দ্বায়িত্বে থাকার পরও সরকার যদি মোবাইল সংযোগের মতন সামান্য বিষয় নিয়ে দিনের পর দিন আনুষ্ঠানিকভাবে লেগে থাকে, বৃহত্তর করদাতা জনগণের করের অর্থ অপচয় করে চলে- তাহলে সেটা অনেকটা রাষ্ট্রযন্ত্র কর্তৃক মাছি মারতে কামান দাগার মতো মনে হবে বৈকি!

ওয়াজেদ দেবদূত
আইন বিভাগ
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
ধানমন্ডি, ঢাকা।
+8801711167940

www.fb.com/wazeddevdoot

Wednesday, 27 July 2016

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অনুরোধ:

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অনুরোধ:
'সুপ্রিয় সুহৃদ,
শুভেচ্ছা জানবেন। রাষ্ট্র ও জনগনের জন্য হুমকি স্বরূপ সন্দেহজনক religious terrorism বিষয়ে যে কোন ধরণের অনলাইন কর্মকাণ্ড, Social media তে কোন সন্দেহজনক পোস্ট, আইডি ,লিঙ্ক বা cyber terrorism সংক্রান্ত যে কোন ধরণের Threat জানলে ও এ সংক্রান্ত কোন information থাকলে সাথে সাথে e-mail করুন -cyberunit@dmp.gov.bd এই ঠিকানায়

জঙ্গী দেশীয় না কি বহির্দেশীয়

জঙ্গী দেশীয় না কি বহির্দেশীয়, এটা বিবেচ্য নয়। বিবেচ্য এটাই, যে জঙ্গীরা সুযোগ নিচ্ছে ক্যামন করে। আওয়ামীলীগ বিএনপির পরস্পরবিরোধী অপরাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে নাকি এটা ভারত, আমেরিকা, ইসরাইলের রুটিনওয়ার্ক? রুটিনওয়ার্ক বলতে এরা মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোতে সংকট তৈরি করে মরুব্বিগোছের আধিপত্য বিস্তারের ভিতর দিয়ে অঘোষিত উপনিবেশ চালু করে! যেমনটা সৌদিআরবে, কুয়েতে, ইয়েমনে, আফগানে হয়েছে!

cfxgcb nfghfg

dskvjhdkvhx  lxjvxcxckn 

Monday, 25 July 2016

"আমি এই সরকারি খুতবা মসজিদের মিম্বারে পড়াব না।"

নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার
নরোত্তমপুর ইউনিয়নের বানদত্ত বাজার
জামে মসজিদে শুক্রবার জুমার
নামাজে সরকারি খুৎবা পড়তে
অস্বীকার করে মসজিদের ইমাম
হাফেজ বেলাল হোসেন;
ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রদত্ত
খুতবা পড়ানোর জন্য স্থানীয়
আওয়ামী সমর্থক নজির আহমদ ও
সায়েদুল হক মেম্বার হাফেজ বেলাল
হোসেনকে চাপ প্রয়োগ করে , ইমাম
সাহেব তখন বললেন,
__"আমি এই সরকারি খুতবা মসজিদের
মিম্বারে পড়াব না।"
এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আওয়ামী লীগ
সমর্থকরা তাকে মিম্বার থেকে ধরে
এনে আটকে রেখে বেদম মারপিট করে।
পরে কবিরহাট উপজেলা আওয়ামী
লীগের সভাপতি রুমী পুলিশকে খবর
দিয়ে ওই ইমামকে সোপর্দ করে।
আজকে স্থানীয় জনতা থানায় গিয়ে
হাফেজ বেলাল হোসেনের কাছে
গিয়ে অনুরোধ করে আওয়ামীলীগের
সেই নেতাদের কাছে ক্ষমা চেয়ে
মুচলেকা দিয়ে মুক্ত হয়ে আসবার জন্য।
জবাবে হাফেজ বেলাল হোসেন বলেন
___,"দরকার হলে জেলে থাকবো
তারপরেও ক্ষমা চাইবো না।"
আমার ক্ষুদ্র সামর্থ থেকে হাফেজ
বেলাল ভাইয়ের জন্য কোন কিছুই করা
সম্ভব না, তবে অন্তরের অন্তঃস্থল
থেকে দোয়া করি বেলাল ভাইয়ের
জন্য;
ক্ষমাতার লোভে অন্ধ হয়ে থাকা
আওয়ামীলীগের নেতারা একজন
কোরআন হাফেজের সন্মান দিতে ভুলে
গেছে, মসজিদ কে আজ পল্টন আর
বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের রাজনৈতিক
ময়দান বানাতে চাইছে,
কিন্তু সবাই সব কিছু সহ্য করে না,
স্রোতের বিপরীতে কেউ না কেউ
দাঁড়িয়ে যায়...
তাদের একজন হচ্ছেন আমাদের
হাফেজ বেলাল হোসেন ভাই।
স্যালুট! 

তাজমহলের মজা তো একাই লুটছে ভারত পর্যটন বাণিজ্যের নামে!

ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির জনৈক নেতা বলেছিলেন, সম্রাট শাহজাহান জনতার বিপুল পরিমাণ অর্থের অপচয় করেছেন তাজমহল বানাতে। সত্যিই তো আমাদের বা পাকিস্তানের পক্ষে এখন এটাকে নিছক অপচয় বিনা আর কিছুরই স্বীকৃতি দেয়া উচিৎ নয়। কারণ সমগ্র মুঘল রাজত্বের রাজস্বে তৈরিকৃত তাজমহলের মজা তো একাই লুটছে ভারত পর্যটন বাণিজ্যের নামে !
কবে আর বোধোদয় হবে?

Friday, 22 July 2016

বাগানের বেড়া যদি ফসলাদি খেয়ে ফেলতে চায়

বাগানের বেড়া যদি ফসলাদি খেয়ে ফেলতে চায়, নির্জীব বেড়াটারে হয়তো তেমন কিছুই করা চলে না কিন্তু তুরস্কের বৈধ সরকারকে যেসকল বিভ্রান্তবাদী, ভ্রষ্টাচারী, বিপথগামী সেনাসদস্য ক্ষমতাচ্যুত করতে চেয়েছিল ওদেরকে জাতীয় ফুটবল স্টেডিয়ামে জনতার আদালতে বিচারের সম্মুখীন করাটাই হবে ন্যায় বিচার!

তুরস্কে উশৃঙখল কতিপয় সেনা কর্তৃক বৈধ সরকারকে উৎখাতের চেষ্টা

পাঠক দেখলেন তো! তুরস্কে উশৃঙখল কতিপয় সেনা কর্তৃক বৈধ সরকারকে উৎখাতের চেষ্টা করা হলে প্রধান বিরোধী দল সহ সমস্ত রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন সরকারের পাশে দাঁড়িয়েছেে। আল্লাহ না করুন, আমাদের সোনার বাংলায় এমনটি হতে পারে বলে ভাবা যায়? কেনো? ওরা কেনো রাজনীতি করে? কার জন্য রাজনীতি করে?

এক যে ছিল মজার দেশ

"মজার দেশ" নামে একটা ছড়া পড়েছিলাম, ২০০২ সালে, ক্লাস টুয়ে, ভীষণ মজার ছড়া! এখনকার পণ্ডিতগণ পাঠ্যসূচী থেকে এই ছড়াটা বাদ দিয়ে দিছেন। কেউ কি আছেন এমন যে ছড়াটা পুরো পাঠাতে পারেন?
কিয়দংশ:
এক যে ছিল মজার দেশ
সব রকমে ভালো,
রাত্রিতে বেজায় রোদ
দিনে চাঁদের আলো।
আকাশ সেথায় সবুজ বরণ
ডাঙায় চড়ে রুই...

৪৭'এ পাক-ভারত অসম যমজ রাষ্ট্রের জন্ম দিয়ে বৃটেন যে বেশ্যা মা তার প্রমাণ রেখে গেলো। (দেশকে মা ভাবলে!)

এই কথাটা একতরফা ভাবেই সত্য যে, বৃটিশরা আমাদের উপমহাদেশে না এলে আমরা আফ্রিকার গহীন জঙ্গলের চাইতেও আর ঘন জঙ্গলের জংলীই থেকে যেতাম। কিন্তু রক্তচোষা বৃটিশরা বাংলা এবং পাঞ্জাবকে দ্বিখণ্ডিত করে বিশ্বসমাজ থেকে দুটি সর্বশ্রেষ্ঠ জাতিকে অনির্বার্য অধ্বপতির দিকে ঠেলে দিয়েছে। ৪৭'এ পাক-ভারত অসম যমজ রাষ্ট্রের জন্ম দিয়ে বৃটেন যে বেশ্যা মা তার প্রমাণ রেখে গেলো। (দেশকে মা ভাবলে!)
ব্রেক্সিট, ইরাকযুদ্ধ তদন্ত থেকে নবপর্যায়ে শুরু হলো বৃটেনের চরম অধ্বপতন...
ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না...
‪#‎brexit‬

Saturday, 16 July 2016

ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ ও রাষ্ট্রধর্ম



ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ ও রাষ্ট্রধর্ম

স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশের পর প্রায় অর্ধশত বছর পেরিয়ে এসেছে আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ। কিন্তু তবও আমরা পারছিনা। একটি জাতির ভাগ্য বদলের জন্য এই অর্ধশত বৎসর নেহাৎ কম সময় নয়।জাতি ফেলে আসা শৈশবে-কৈশোরে যৌবনে আত্মমর্যাদাশীল, উন্নত, সমৃদ্ধশালীর খেতাব না পেলেও সর্বাত্মক দলাদলি, আমলাতান্ত্রিক জমিদারি এবং মেরুদন্ডহীন বিচার ও পুলিশ প্রশাসন গড়ে তোলার খেতাব পেয়ে বসে আছে।
পবিত্র সংবিধানে উল্লেখিত অন্যতম রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হলো ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ। রাষ্ট্রীয় মূলনীতি যদি ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ হয়ে থাকে-তাহলে ‘প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম এবং হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীস্টানসহ অন্যান্য ধর্ম পালনে রাষ্ট্র সমমর্যাদা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করিবেন’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
দ্বিতীয়ত, রাষ্ট্রীয় মূলনীতি যদি ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ হয়- তাহলে ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক সংগঠনগুলো কীভাবে জাতীয় সংসদ বা আইন সভার প্রতিনিধি নির্বাচনে অংশ নেয়?

অর্থ্যাৎ আমার উত্থাপিত প্রশ্ন হলো এই, একই সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা, প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম, ধর্মীয় রাজনৈতিক সংগঠনের অধিকার একত্রে চলতে পারে কি না?

ওয়াজেদ দেবদূত
আইন বিভাগ
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।
ফোন: 01626669999
fb.com/wazeddevdoot.

Tuesday, 12 July 2016

শিক্ষাবান্ধব নীতির কারণে শিক্ষার হার আকাশচুম্বী



ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নেবিভোর বর্তমান সরকারের ব্যাপক শিক্ষাবান্ধব নীতির কারণে শিক্ষার হার আকাশচুম্বী। কিন্তু পাবলিক পরিক্ষার পূর্বমূহুর্তে প্রশ্নপ্রত্র ফাঁস এবং আইএম জিপিএ ফাইভ প্রকৃতির বিতর্কিত ইস্যুর কারণে শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়।
মধ্যম আয়ের(?) বাংলাদেশে হাজার-হাজার স্কুল-কলেজ, মাদ্রসার এমপিও নেই। অত্যন্ত নিম্ন বেতনে লক্ষ্যাধিক শিক্ষক-কর্মচারী পেশাগতভাবে এসকল প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত আছেন। এতে স্পষ্ট হয় যে, তাদের জীবনযাত্রার মান অন্যান্য মধ্যম আয়ের দেশের চাকুরেদের মতো নয়!
যাক, সম্প্রতি খবরে শোনা গেল যে কর্তৃপক্ষ অনেকগুলো এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানকে জাতীয়করণ করেছেন। এটাকে একঘেঁয়ে সিদ্ধান্ত বলে ধরে নিতে হবে কেননা, উচিৎ হতো প্রথমে স্বল্পব্যয়ী প্রতিষ্ঠানগুলোকে এমপিওভুক্ত করণের মাধ্যমে তাদের স্বপ্নের ডিজিটাল বাংলাদেশের মূলস্রোতে সম্পৃক্ত করা।

Monday, 11 July 2016

Tuesday, 5 July 2016

এখানে ধর্ম হলো লোক ঠকানো ব্যবসার জিনিশ

আমরা অপরাধ করিও, অপরাধকে প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে স্বীকারও করি, করি বলেই আইন, আদালতও তৈরি করে রেখেছি। তার মানে কি এটা বলা যায় না যে, আমরা নৈতিকতারও ধার ধারি না। আর যেখানে নৈতিকতার মতন সাধারণ জিনিশটাই অনুপস্থিত সেখানে কিসের ধর্ম পালন, আর কিসের স্রষ্টার এবাদত।
মূলত, নৈতিকতার জন্ম ধর্মীয় আচার থেকেই, কিন্তু এক্ষেত্রে আমাদের সোসাইটির প্রেক্ষাপট ভিন্ন, এখানে ধর্ম হলো লোক দেখানো চটক, এখানে ধর্ম হলো লোক ঠকানো ব্যবসার জিনিশ। এখান ধর্মকর্মে নৈতিকতার সুবাস তো অনেক দূরের কথা, গন্ধটাও নাই।

Wednesday, 29 June 2016

খদ্দের মালকিনের মাল য্যামনে পারে নিক

জিনিশ একটাই। ওইটা কোথাও বিনামূল্যে, কোথাও নিম্ন মূল্যে আবার কোথাও উচ্চমূল্যে পাওয়া যায়, সহজকথায় লম্পটরা পায়। কিন্তু সমস্যাটা এখানেই, যারা বিনামূল্যে অথবা মূল্যে জোগাড় করতে পারে না, তারা জবরদস্তি করে জোগাড় করলেইবা মালকিনের ক্ষতি কী? বিনামূল্য, নিম্নমূল্য, উচ্চমূল্য, জবরদস্তি ইত্যাদি চার প্রকারের পার্থক্যটা কী আসলে? কেননা আামাদের সভ্যতা, আমাদের আইন শেষে বর্ণিত পদ্ধতিকে অবৈধ ঘোষণা করেছে। তার জন্য শাস্তির বিধান রেখেছে। কথা হলো, খদ্দের মালকিনের মাল য্যামনে পারে নিক। আসলে, রাক্ষুসী মালকিনের ইচ্ছার উপর সব নির্ভর করে, সে চাইলে মাগনা দিবে, সে চাইলে ফিতে দিবে, সে চাইলে জেলে যাবে খদ্দের...
বি.দ্র. ইসলামে এই চারপ্রকারই সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

Saturday, 11 June 2016

“প্রথম বাংলাদেশ, আমার শেষ বাংলাদেশ” গান বাজানো জন্য সরকারি কর্মচারি বরখাস্ত

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে চলতি অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতা প্রচারের আগমূহুর্তে প্রচারকুশলীরা
ভুলবশত “প্রথম বাংলাদেশ, আমার শেষ বাংলাদেশ” গানটি অন-এয়ারে নিয়ে আসেন। যার প্রতিক্রিয়া স্বরুপ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ঢাকা বেতারের আঞ্চলিক পরিচালক সায়েদ মোস্তফা কামাল সহ ৪ জনকে বরখাস্ত করেন। যদিও ওই দিন সায়েদ মোস্তফা কামাল ছুটিতে ছিলেন। কর্তব্যে অবহেলার দায়ে বরখাস্ত করা হয়ে থাকলে তথ্যমন্ত্রী, তথ্যসচিব, বেতার মহাপরিচালকও বরখাস্তের আওতায় পরার কথা।যাক, জাতীয় সংগীত পর্যায়ের মর্যাদাসম্পন্ন দেশাত্মবোধক একটি গান হলো এই-“প্রথম বাংলাদেশ, আমার শেষ বাংলাদেশ।” এই গান সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রিয় ছিল বলে বাংলাদেশ বেতারে বাজানো যাবে না কিংবা বাজানো অপরাধ বলে বিবেচিত হবে এমন কোনও আইন বর্তমান সরকার আজও জারি করেনি। সতরাং এই গাণ প্রচারের দায়ে কর্মকতাদের বরখাস্ত করার সিদ্ধান্তটা কতটুকু কার্য্কর হতে পারে? কার্য্কর হলেও কতটুকু বৈধ হবে বলে মনে করেন আইনজ্ঞরা এবং দেশের আপামর জন্গণ।
 
ওয়াজেদ দেবদূত

wazeddevdoot@lawyer.com
01711167940
12062016

Monday, 30 May 2016

দুখিনী বাংলা মায়ের এক আঁতুর সন্তান নিয়ে কথা...



দুখিনী বাংলা মায়ের এক আঁতুর সন্তান নিয়ে কথা...

রাষ্ট্রীয় মালিকানার দোহাই দিয়ে নামস্বর্বস্ব-ভঙ্গুর প্রতিষ্ঠান টেলিটককে বহুল পাবলিক রিলেটেড কাজে নিয়োজিত করা হচ্ছেকিন্তু একটি বারের জন্যেও খতিয়ে দেখা হচ্ছে না যে, টেলিটক নিয়োগকৃত কাজে ক্যামন সেবা দিচ্ছে? ভোক্তাগন এমনকি দেশের জনগণ টেলিটকের সেবার উপর সন্তুষ্ট কীনাজানি না কী রহস্য লুকায়িত
সারাদেশে নেটওয়ার্ক কভারেজ নেই, যেখানে নেটওয়ার্ক্ কভারেজ রয়েছে সেখানেও সিগন্যাল প্রচণ্ড নিম্নমুখী, সর্বত্র রিচার্জের দোকান নেই, কেন্দ্রীয় স্টেশনের প্রকৌশল মান ভালো না ইত্যাদি ইত্যাদি অভিযোগের শেষ নেই টেলিটকের বিরুদ্ধে

এই সেক্টরে দ্বায়িত্বশীলগণের প্রতি বিনীতভাবে প্রশ্ন রাখছি, দেশে আরো বেশকটি অপারেটর রয়েছে, যাদের কারিগরি ও গ্রাহক সেবার মান অত্যন্ত ভালোওরা বৈধ উপায়ে ব্যবসা করছে, দেশের নানান জনগুরুত্বপূর্ণ ও জাতীয় চেতনার অনুষ্ঠান পৃষ্টপোষকতা করছে- তাহলে কেন এদের দিয়ে অক্ষম টেলিটককে দেওয়া কাজগুলো করানো যাবে না?

সবার আগে ভাবতে হবে, জনগণের টাকায় জনগণ সেবা ক্রয় করে নেয়, তাহলে কেন এই ভোগান্তি? দিন আগে মাধ্যমিক শ্রেণীর মেয়েদের শিক্ষাউপবৃত্তির টাকা দেওয়া হলো ডাচ-বাংলা ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিসের মাধ্যমেটাকা উত্তোলনে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি আর ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ভোক্তাদের প্রতি দায়বদ্ধতা ও সেবার মান দেখে ভীষণ কষ্ট হয়েছে আমারকিন্তু কী আর করতে পারি? দেখার কেউ নেই...

#ওয়াজেদ দেবদূত
290516 
wazeddevdoot@lawyer.com
+8801711167940